Bangladesh: বাংলাদেশে চরম সংকটের সম্মুখীন হিন্দুরা (Hindu)। পড়শি দেশের অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারতও। বৃহস্পতিবার এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ সারলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সংসদে অধিবেশনে সব ঠিকঠাক থাকলে বাংলাদেশ নিয়ে বক্তব্যও (Statement) রাখতে পারেন এস জয়শঙ্কর।
ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস (Chinmoy Krishna Das) প্রভুর গ্রেফতারির পর থেকেই উত্তাল বাংলাদেশ। কাঁটাতার পেরিয়ে প্রতিবাদের আঁচ পৌঁছেছে এপাড় বাংলাতেও। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে হিন্দু সন্ন্যাসীর গ্রেফতারি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষার দাবি জানিয়ে অবিলম্বে চিন্ময় প্রভুকে জেল থেকে ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারত।
গত সোমবার ২৫ নভেম্বর ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রাষ্ট্রদোহিতার দায়ে চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতার করে ঢাকার পুলিশ। জামিনের আবেদনও খারিজ করা হয়। হিন্দুদের উপর আক্রমণের প্রতিবাদের নেতৃত্বে ছিলেন চিন্ময় প্রভু। চট্টগ্রামের মিছিলে তাঁর বিরুদ্ধ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাকে অসম্মানের অভিযোগ আনে মহম্মদ ইউনূসের সরকার। মিথ্যে মামলায় হিন্দু সন্ন্যাসীকে গ্রেফতারের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে নামে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন।
ইউনূস সরকার (Muhammad Yunus Sarkar) আসার পর থেকেই বাংলাদেশ হিন্দুদের উপর লাগাতার আক্রমণ হয়ে আসছে। ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশ মৌলবাদীদের দখলে চলে গিয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। বাংলাদেশের ঘটনায় রাষ্টসংঘের (United Nations) হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি।
এদিকে, বাংলাদেশে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরাও। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের উপরই আস্থা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি বলেন, এটা দুই দেশের ব্যাপার। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তেই সমর্থন জানাব। বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রের যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে জানালেন মমতা।
বিদেশমন্ত্রক গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন বলে জানালেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরও। পড়শি দেশ নিয়ে ভারতীয়রা উদ্বিগ্ন। পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে হিন্দুদের উপর ২০০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশের ১৭ কোটি জনসংখ্যার মাত্র ৮ শতাংশ হিন্দু। তাদের সুরক্ষার দাবিতে সরব হয়েছে হিন্দু-আমেরিকান সংগঠনগুলিও।